Donate Now

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

শিক্ষাদর্শ ও লক্ষ্য

  • দ্বিভাষিক উৎকর্ষ (Bilingual Excellence): আমাদের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ছেলে ও মেয়েদের জন্য একটি অন্যতম প্রধান বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের বিশ্বমানের প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে ইংরেজি ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

  • ব্যক্তিগত মনোযোগ (Personalized Attention): প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতি ব্যক্তিগত যত্ন নেওয়া এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি আদর্শ ও পুষ্টিকর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

  • ভবিষ্যতের ভিত্তি (Foundation for the Future): আমরা আমাদের কচি-কাঁচার দলকে এমন উন্নত মানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দীক্ষিত করি, যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশের যে কোনও প্রথম সারির বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে পারে।

  • চরিত্র গঠন (Character Building): শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা নয়, আমাদের পরম লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক আদর্শ জাগিয়ে তোলা, যাতে তারা আগামী দিনে দেশের সুনাগরিক এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

জাতীয় শপথ ও জাতীয় প্রতীক

১. জাতীয় শপথ (The National Pledge)

  • সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ব: ভারতবর্ষ আমার মাতৃভূমি। ভারতের সকল নাগরিক আমার ভ্রাতা ও ভগিনী।

  • ঐতিহ্য ও গর্ব: আমি আমার দেশকে ভালোবাসি এবং আমি তার প্রাচীন ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত। আমি সর্বদাই নিজেকে এই ঐতিহ্যের যোগ্য করে তোলার চেষ্টা করব।

  • শ্রদ্ধা ও সেবা: আমি আমার পিতা-মাতা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সকল গুরুজনদের যথাযথ শ্রদ্ধা করব এবং প্রত্যেকের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করব। আমার দেশ এবং দেশবাসীর প্রতি আমি আমার আনুগত্য ও ভক্তি অর্পণ করছি। তাদের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির মধ্যেই আমার প্রকৃত সুখ নিহিত।


২. জাতীয় পতাকাকে সম্মান (Tiranga) জাতীয় পতাকা কেবল একটি বস্ত্রখণ্ড নয়; এটি আমাদের স্বাধীনতা এবং ত্যাগের প্রতীক।

  • গেরুয়া: সাহস ও ত্যাগের প্রতীক।

  • সাদা: সত্য, শান্তি এবং পবিত্রতার প্রতীক।

  • সবুজ: সমৃদ্ধি, প্রাণশক্তি এবং আমাদের মাটির উর্বরতার প্রতীক।

  • অশোক চক্র: মাঝখানের এই ২৪টি স্পোক বিশিষ্ট চাকাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে— “চলাই জীবন, স্থবিরতাই মৃত্যু।”

  • আমাদের কর্তব্য: আমরা সর্বদা পতাকার মর্যাদা রক্ষা করব। বিদ্যালয়ে যখন পতাকা উত্তোলন করা হয়, তখন আমরা নিস্তব্ধভাবে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানাই, যা আমাদের জাতীয় মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশ করে।


৩. জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ভারতের ঐক্য ও বিজয়ের এক মহিমান্বিত প্রার্থনা।

  • বার্তা: এটি আমাদের দেশের সুবিশাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্যকে বর্ণনা করে— পাঞ্জাব, সিন্ধু থেকে শুরু করে মারাঠা ও উৎকল পর্যন্ত— যা বিভিন্ন সংস্কৃতিকে এক অভিন্ন চেতনায় আবদ্ধ করে।

  • শৃঙ্খলা: আমাদের বিদ্যালয়ে যখন জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়, তখন প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাকে “অ্যাটেনশন” (Attention) অবস্থায় সম্পূর্ণ স্থির হয়ে দাঁড়াতে হয়। সেই ৫২ সেকেন্ডের সময়টুকুতে আমরা কথা বলি না বা নড়াচড়া করি না। এই নিয়ম আমাদের জাতির আত্মার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের একটি মাধ্যম।


৪. বিবেকানন্দ শিক্ষা মন্দিরে (V.S.M) দেশপ্রেম স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ অনুসরণ করে আমরা বিশ্বাস করি যে, “দেশপ্রেমই আধ্যাত্মিকতার প্রথম ধাপ।” স্বামীজী চেয়েছিলেন এমন এক যুবসমাজ যাদের “লোহার পেশী ও ইস্পাতের স্নায়ু” থাকবে এবং যারা মাতৃভূমির সেবায় উৎসর্গীকৃত হবে। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের শেখাই যে— একজন ভালো ছাত্র, সৎ নাগরিক এবং দয়ালু মানুষ হয়ে ওঠাই হলো ভারতের প্রতি শ্রেষ্ঠ সেবা।