স্বামী বিবেকানন্দ জন্মজয়ন্তী ও জাতীয় যুব দিবস ২০২৬

স্বামী বিবেকানন্দ জন্মজয়ন্তী ও জাতীয় যুব দিবস ২০২৬

স্বামী বিবেকানন্দ জন্মজয়ন্তী ও জাতীয় যুব দিবস ২০২৬

মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও যুবশক্তির এক উজ্জ্বল উদযাপন

Paratal Anchal Swami Vivekananda Sevashram (PASVS)
📅 ১২ জানুয়ারি ২০২৬
📍 পাড়াতল, বর্ধমান

২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি PASVS প্রাঙ্গণ আবারও মুখর হয়ে উঠেছিল স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত শিশু ও যুবকদের কণ্ঠে। প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা পালন করলাম স্বামী বিবেকানন্দ জন্মজয়ন্তী ও জাতীয় যুব দিবস, কিন্তু এবছর আয়োজনটি ছিল আরও পরিপক্ব, আরও অংশগ্রহণমূলক এবং আরও মানবিক স্পর্শে ভরা।

এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের গ্রামীণ সমাজে নেতৃত্ব, মূল্যবোধ ও আত্মবিশ্বাসের বীজ বপনের একটি শক্তিশালী প্রয়াস।


🙏 দিনটির সূচনা

দিনের শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও প্রার্থনার মাধ্যমে। শিশু, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্বেচ্ছাসেবকরা একসাথে তাঁর আদর্শ স্মরণ করেন এবং নিজেদের জীবনেও সেই শিক্ষা প্রয়োগ করার অঙ্গীকার করেন।


🎤 অনুপ্রেরণামূলক আলোচনা

আলোচনা সভায় বক্তারা তুলে ধরেন স্বামীজীর মূল দর্শন—
“নিজেকে বিশ্বাস করো, তবেই বিশ্ব তোমাকে বিশ্বাস করবে।”

এই অংশে শিশু ও যুবকদের বোঝানো হয় কিভাবে সাহস, আত্মসম্মান ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ মানুষকে প্রকৃত অর্থে বড় করে তোলে।


🏃‍♀️ ক্রীড়া ও প্রতিযোগিতা

শারীরিক বিকাশ ছাড়া মানসিক উন্নয়ন অসম্পূর্ণ। তাই এবছরও আয়োজন করা হয়:

  • দৌড় প্রতিযোগিতা

  • দীর্ঘ লাফ

  • দলগত খেলাধুলা

শিশুদের মুখে ছিল লড়াই করার আনন্দ, আর অভিভাবকদের চোখে ছিল গর্ব।


🎶 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শিশুরা গান, নাচ ও আবৃত্তির মাধ্যমে স্বামী বিবেকানন্দের জীবনদর্শন তুলে ধরে। তাদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে মানবিকতা, দেশপ্রেম ও আত্মবিশ্বাসের গল্প, যা দর্শকদের আবেগে ছুঁয়ে যায়।


🍲 মধ্যাহ্নভোজ ও সামাজিক মিলন

অনুষ্ঠানের শেষে সকলে একত্রে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। এই মিলন আমাদের শেখায়, সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলার সবচেয়ে সহজ পথ হল একসাথে বসে খাওয়া, হাসা আর কথা বলা।


🌱 PASVS-এর প্রতিশ্রুতি

এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আবারও প্রমাণ করলাম—

  • শিশুদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা গড়ে তোলা সম্ভব

  • গ্রামীণ সমাজে নেতৃত্ব তৈরি করা যায়

  • সংস্কৃতি ও শৃঙ্খলা একসাথে বিকশিত হতে পারে


🙌 কৃতজ্ঞতা

এই সফল আয়োজন সম্ভব হয়েছে আমাদের নিবেদিত শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক, অভিভাবক ও সর্বোপরি আমাদের প্রিয় শিশুদের জন্য, যারা প্রতিটি মুহূর্তকে অর্থবহ করে তুলেছে।

PASVS বিশ্বাস করে, সমাজ বদলাতে বড় মঞ্চ লাগে না, লাগে বড় মন।